সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: মালদ্বীপকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

আওয়াজবিডি ডেস্ক
১৪ অক্টোবর ২০২১, রাত ৩:৪৪ সময়

মালদ্বীপের রাজধানী মালের রাশমি ধান্দু স্টেডিয়ামে বুধবার (১৩ অক্টোবর) স্বাগতিকদের ৩-১ গোলে হারায় সুনীল ছেত্রীরা। দিনের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ১-১ ড্র করে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠে নেপাল। আগামী ১৬ অক্টোবর সাফের ত্রয়োদশ আসরের শিরোপা লড়াইয়ে নামবে এই ভারত ও নেপাল।

ভারতের ফাইনালে ওঠার ম্যাচে দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ গোলদাতা সুনীল ছেত্রী। এই ম্যাচে দুই গোল করার পথে জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। নেপালের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচে লক্ষ্যভেদ করে কিংবদন্তি পেলের পাশে বসেছিলেন ছেত্রি। ২২তম মিনিটে ভারতকে এগিয়ে নেন মানভির সিং।

ডান দিক দিয়ে একক প্রচেষ্টায় আক্রমণে ওঠা মানবির ডান পায়ের নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন। বলের লাইনে মালদ্বীপ গোলরক্ষক থাকলেও আটকাতে পারেননি। ৪৫তম মিনিটে আলি আশফাক স্পট কিক থেকে সমতা ফেরান। প্রিতম কোটাল বক্সে হামজা মোহামেদকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। ভারত আপত্তি তুললেও কাজ হয়নি। 

৬২তম মিনিটে দারুণ ভলিতে ভারতকে এগিয়ে নেন ছেত্রী। এ গোলেই ব্রাজিলের তিন বিশ্বকাপ জয়ী পেলেকে (৭৭টি) পেছনে ফেলেন ভারতের এই ফরোয়ার্ড। ৯ মিনিট পর সতীর্থের ফ্রি কিকে দৃষ্টিনন্দন হেডে ব্যবধান আরও বাড়ান ছেত্রী। জাতীয় দলের হয়ে ৩৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের গোল হলো ৭৯টি। সাফের রেকর্ড সাতবারের চ্যাম্পিয়নদের ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত হয়ে যায় অনেকটাই। 

ভারতের জয়ের আনন্দে কিছুটা কালির ছাপও পড়েছে। ৮০তম মিনিটে দলটির কোচ ইগর ইস্তিমাচকে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন রেফারি। সিদ্ধান্ত নিয়ে বারবার আপত্তি জানানোয় প্রথমার্ধে তাকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন ভারতের শুভশিস বোস। নেপালের বিপক্ষে ফাইনাল খেলতে পারবেন না এই ডিফেন্ডার।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও ১২৩ জন নতুন রোগী ভর্তি

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০২১, দুপুর ৪:৪০ সময়

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ১২৩ জন। এর মধ্যে ঢাকাতে ১১৬ জন এবং ঢাকার বাইরের সারাদেশে ভর্তি  হয়েছেন সাত জন।  

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৭৮০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৬২৫ জন এবং অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে সর্বমোট ১৫৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ২২ হাজার ১৩০ জন। একই সময়ে তাদের মধ্য থেকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ হাজার ২৬৬ জন রোগী। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।  

হাবিব/আওয়াজবিডি/ইউএস