দিল্লিতে বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসকষ্টে ভুগছে ৭৫ শতাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক

আওয়াজবিডি ডেস্ক
১৩ অক্টোবর ২০২১, দুপুর ৩:০৬ সময়

সম্প্রতি এক গবেষণায় ব্যাপারটি আরও একবার স্পষ্ট হলো। রাজধানী নয়াদিল্লিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা দ্য এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্স ইনস্টিটিউটট (টেরি) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দিল্লির ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশই মৃদু কিংবা মাঝারি মাত্রার শ্বাসকষ্টে ভুগছে।

তার বাইরে চোখে চুলকানি ও জ্বালাপোড়াজনিত উপসর্গে ভুগছে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ, দীর্ঘস্থায়ী সর্দিতে ভুগছে ২২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং শুকনো কাশিতে ভুগছে ২০ দশমিক ৯ শতাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক।

টেরির গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের জাতীয় দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস। গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বায়ু দূষণের কারণে শ্বাসতন্ত্র ও হৃদযন্ত্রের নানাবিধ সমস্যায় আক্রান্ত অপ্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যাও প্রতিদিন বাড়ছে দিল্লিতে।

টেরির গবেষক দলের অন্যতম সদস্য কানাহাইয়া লাল হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর ও দূষণমুক্ত প্রতি ঘনমিটার বাতাসে সর্বোচ্চ ৬০ ন্যানোগ্রাম পর্যন্ত সিসা বা অন্যান্য ধাতব অনু থাকতে পারে।’

‘কিন্তু দিল্লিতে ২০১৯ সালে প্রতি ঘনমিটার বাতাসে সিসা ও অন্যান্য ধাতব অনুর পরিমাণ ছিল ২৩৩ ন্যানোগ্রাম এবং ২০২০ সালে তা বেড়ে পৌঁছায় ৪০৬ ন্যানোগ্রামে; তার মধ্যে মারাত্মক বিষ আর্সেনিক অনুর উপস্থিতি ছিল ৩ ন্যানোগ্রাম।’

ভারতের চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দিল্লির বাতাসের বর্তমান যে পরিস্থিতি, তাতে দিল্লিবাসীদের অধিকাংশই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন। বাতাসে সিসার পাশপাশি নিয়মিত বাড়ছে ক্যাডমিয়াম ও আর্সেনিকের উপস্থিতি এবং তার ফলে ক্যান্সার, কিডনি সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো শারীরিক অসুস্থতা বাড়ছে দিল্লির বাসিন্দাদের মধ্যে।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও ১২৩ জন নতুন রোগী ভর্তি

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০২১, দুপুর ৪:৪০ সময়

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ১২৩ জন। এর মধ্যে ঢাকাতে ১১৬ জন এবং ঢাকার বাইরের সারাদেশে ভর্তি  হয়েছেন সাত জন।  

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৭৮০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৬২৫ জন এবং অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে সর্বমোট ১৫৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ২২ হাজার ১৩০ জন। একই সময়ে তাদের মধ্য থেকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ হাজার ২৬৬ জন রোগী। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।  

হাবিব/আওয়াজবিডি/ইউএস