৫৪৩ দিন পর কলেজে গিয়ে কী করলেন দীঘি?

বিনোদন ডেস্ক
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, রাত ৯:০৫ সময়

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা দীঘিও একজন ছাত্রী। তিনি পড়েন এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষে। বন্ধ থাকার কারণে এত দিন ছিলেন কলেজ থেকে দূরে। কলেজ খোলায় তিনিও ছুটে গেছেন প্রিয় শিক্ষক ও সহপাঠীদের কাছে।

গণমাধ্যমের কাছে দীঘি বলেন, ‘প্রথম দিনটা দারুণ কেটেছে। বছরের প্রথম দিন স্কুলে যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়েছে। কতদিন পর সবাইকে সরাসরি দেখলাম!’

যেহেতু দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে, তাই এদিন তেমন পড়াশোনা হয়নি। বরং গল্প-আড্ডায় কেটেছে দিনটি। দীঘির ক্ষেত্রেও এমন হয়েছে। তার ভাষ্য, ‘কলেজে আজ প্রথমদিন বলে তেমন লেখাপড়া হয়নি। তবে সবাই মিলে অনেক আড্ডা দিয়েছি। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।’

জানা গেছে, রাজধানীর স্টামফোর্ড কলেজে পড়েন দীঘি। সিনেমার কাজের জন্য নিয়মিত ক্লাস করতে পারেন না তিনি। আবার করোনার কারণে এত দিন সাক্ষাৎ না হওয়ায় বন্ধুদেরও অনুরোধ ছিল, যেন অবশ্যই কলেজে যান। বন্ধুদের সেই চাওয়ার পাশাপাশি দীঘি নিজেও ব্যাকুল হয়ে ছিলেন কলেজে যাওয়ার জন্য।

প্রসঙ্গত, অভিনেতা সুব্রত বড়ুয়া ও অভিনেত্রী দোয়েলের মেয়ে দীঘি। ছোট বেলাতেই অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। অর্জন করেছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। তবে এখন তিনি প্রাপ্তবয়স্ক নায়িকা। ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে অভিষেক হয় তার। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ নামের একটি সিনেমায়।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি

সিরিয়ায় যুদ্ধ-সংঘাতে সাড়ে তিন লাখের বেশি মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, দুপুর ২:৩৭ সময়

নিহত বেসামরিক নাগরিক এবং যোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করে এবং কঠোর পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে নিহতদের পুরো নাম, সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত তারিখ এবং মৃত্যুর স্থানসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করে শুত্রবার মানবাধিকার কার্যালয় ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার মিচেল ব্যাচলেট বলেন, আমরা ২০১১ সালের মার্চ ২০২১ সালের মার্চের মধ্যে সিরিয়ায় সংঘর্ষে নিহত তিন লাখ ৫০ হাজার ২০৯ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছি।

তিনি বলেন, নিহত প্রতি ১৩ জনের মধ্যে একজন নারী অথবা শিশু। তিনি আরও বলেন, এটি একটি ন্যূনতম যাচাইযোগ্য সংখ্যা নির্দেশ করে এবং অবশ্যই এটাই প্রকৃত হত্যার সংখ্যা নয়। এখানে কম সংখ্যা উঠে এসছে। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার কথা।

এর আগে ২০১৪ সালের আগস্টে ব্যাচলেট জানান, যুদ্ধ-সংঘাতে কমপক্ষে ১ লাখ ৯১ হাজার ৩৬৯ জন নিহত হয়েছে। একটি সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান প্রকাশের জন্য একটি মডেল নিয়ে কাজ করছিল তার কার্যালয়। এগুলো হত্যাকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে আলেপ্পোতে। সেখানে সংঘাতে ৫১ হাজার ৭৩১ জন নিহত হয়েছে। তবে মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, সিরিয়ায় যুদ্ধ-সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ মানুষ নিহত হয়েছে। ব্রিটিশভিত্তিক এই সংস্থার পরিচালক রামি আবদুল রাহমান বলেন, প্রকৃত সংখ্যা জানানোটা বেশ কঠিন।

পিএলএম/আওয়াজবিডি