পুলিশ কর্মকর্তা ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করলেন ৪টি, স্ত্রী ৪০টি

ইব্রাহিম খালিদ
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বিকাল ৬:১৫ সময়

গতকাল শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে। আল মামুন দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত বলে নিশ্চিত করেছেন দামুড়হুদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করা দামুড়হুদা থানা পুলিশের পুলিশ সদস্য আব্দুর রহিমের ছেলে আল মামুন ও তার স্ত্রী নিভা খাতুন পরিচয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে তার সহকর্মীরা। এরপর চিকিৎসক নিভা খাতুনের পাকস্থলি ওয়াস করেন। আল মামুন শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাকিল আর সালান আওয়াজবিডিকে বলেন, দুজনই ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করেছেন। নিভা খাতুন ৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করায় তার পাকস্থলি ওয়াশ করে ভর্তি করা হয়েছে এবং আল মামুন ৩/৪ টা ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করলেও তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। দুজনের অবস্থা শঙ্কামুক্ত। তাদেরকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

দামুড়হুদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক বলেন, আল মামুন দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। পুলিশ ফাঁড়ির কাছে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন তারা। পারিবারিক কলহের জেরে দুজনের ভুল বোঝাবুঝিতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি

দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের কঠোর সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, দুপুর ৩:৪৪ সময়

নিউইয়র্কে শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক আওয়ামী লীগ সরকারকে অবৈধ বলে অভিহিত করছে। আমার প্রশ্ন হলো—কীভাবে তারা এ শব্দগুলো (সরকারের সমালোচনা) উচ্চারণ করার সুযোগ পায়? আমরা বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে তুলেছি বলেই তারা এটা বলার সুযোগ পেয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াতের কাছ থেকে সরকারের সমালোচনাকারীরা অর্থগ্রহণ করে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি তারা নীতিবান হয় এবং তাদের কোনো আদর্শ থাকে, তাহলে তারা আমাদের তৈরি করা ডিজিটাল সিস্টেমগুলো কেন ব্যবহার করে?’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘হাইকোর্ট জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ সরকারকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করেছে, কারণ তারা সামরিক আইন জারি করে তাদের সরকার গঠন করেছে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের স্ত্রী এতিমদের অর্থ আত্মসাতের জন্য সাজাপ্রাপ্ত এবং তার ছেলে (তারেক রহমান) ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এমনকি তাদের দুর্নীতির তথ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনও (এফবিআই) প্রকাশ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি দেশের মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে এত বেশি অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছে যে, তারা একজন এফবিআই’র লোককে নিয়োগ করেছিল, যা পরে এফবিআই প্রকাশ করে।’

জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনে জয়ের শক্তি এবং সাহস থাকলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে।’

বিএনপির শাসনামলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিল, কিন্তু সব রাজনৈতিক দল সে নির্বাচন বর্জন করে এবং জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। যেহেতু জনগণ তাদের ভোট দেয়নি, তাই তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি।’

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি