শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

স্পোর্টস ডেস্ক
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, দুপুর ৩:৫২ সময়

আইসিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করার শেষদিন ছিল। কিন্তু দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ের একদিন পর স্কোয়াড ঘোষণা করেছে এসএলসি।

বিস্ময়কর স্পিনার থিকশানা ছাড়াও টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান ভানুকা রাজাপাকশেকে অপ্রত্যাশিতভাবে দলে বিবেচনা করছে এসএলসি। অনেকটা বিস্ময়করভাবেই এই দলে জায়গা পাননি দলটির অভিজ্ঞ স্পিনার আকিলা ধনঞ্জয়া। পুলিনা থারাঙ্গা, লাহিরু কুমারা ও বিনুরা ফার্নান্দোর সঙ্গে আকিলাকে রিজার্ভে রেখেছেন লঙ্কান নির্বাচকরা। দলটির বোলিং লাইন আপের নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ পেসার নুয়ান প্রদীপ।

বোর্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে স্কোয়াডে জায়গা হয়নি নিরোশান ডিকভেলা, কুশল মেন্ডিস ও দানুশকা গুনাথিলাকার। বিশ্বকাপ যাত্রায় অনুমিতভাবেই দলের নেতৃত্ব দেবেন দাসুন শানাকা। শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে আগামী ১৮ অক্টোবর। নিজেদের প্রথম ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলবে তারা। শ্রীলঙ্কার গ্রুপে আরও আছে আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস।

শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াড: 

দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, কুশল পেরেরা, দিনেশ চান্দিমাল, আভিশকা ফার্নান্দো, ভানুকা রাজাপাকশে, চারিথ আসালাঙ্কা, ভানিন্দু হাসারাঙ্গা, চামিকা করুনারত্নে, নুয়ান প্রদীপ, দুশমন্ত চামিরা, প্রবীণ জয়াবিক্রম, লাহিরু মাদুশাঙ্কা ও মাহেশ থিকশানা।

রিজার্ভ: লাহিরু কুমারা, বিনুরা ফার্নান্দো, আকিলা ধনঞ্জয়া ও পুলিনা থারাঙ্গা।

পিয়াল/আওয়াজবিডি

দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের কঠোর সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, দুপুর ৩:৪৪ সময়

নিউইয়র্কে শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক আওয়ামী লীগ সরকারকে অবৈধ বলে অভিহিত করছে। আমার প্রশ্ন হলো—কীভাবে তারা এ শব্দগুলো (সরকারের সমালোচনা) উচ্চারণ করার সুযোগ পায়? আমরা বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে তুলেছি বলেই তারা এটা বলার সুযোগ পেয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াতের কাছ থেকে সরকারের সমালোচনাকারীরা অর্থগ্রহণ করে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি তারা নীতিবান হয় এবং তাদের কোনো আদর্শ থাকে, তাহলে তারা আমাদের তৈরি করা ডিজিটাল সিস্টেমগুলো কেন ব্যবহার করে?’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘হাইকোর্ট জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ সরকারকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করেছে, কারণ তারা সামরিক আইন জারি করে তাদের সরকার গঠন করেছে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের স্ত্রী এতিমদের অর্থ আত্মসাতের জন্য সাজাপ্রাপ্ত এবং তার ছেলে (তারেক রহমান) ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এমনকি তাদের দুর্নীতির তথ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনও (এফবিআই) প্রকাশ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি দেশের মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে এত বেশি অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছে যে, তারা একজন এফবিআই’র লোককে নিয়োগ করেছিল, যা পরে এফবিআই প্রকাশ করে।’

জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনে জয়ের শক্তি এবং সাহস থাকলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে।’

বিএনপির শাসনামলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিল, কিন্তু সব রাজনৈতিক দল সে নির্বাচন বর্জন করে এবং জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। যেহেতু জনগণ তাদের ভোট দেয়নি, তাই তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি।’

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি