টুইন টাওয়ারে হামলার প্রথম নথি প্রকাশ এফবিআইয়ের

উত্তর আমেরিকা অফিস
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, দুপুর ২:৫১ সময়

শনিবার রাতে ১৬ পৃষ্ঠার এই নথি প্রকাশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নাইন-ইলেভেন হামলায় নিহতদের স্বজনদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সেই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই প্রকাশিত হলো এই নথি।

এফবিআইয়ের নথিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৯/১১ হামলার মূল হামলাকারীদের অধিকাংশ সৌদি নাগরিক হলেও তাদের সঙ্গে বা ওই হামলার পরিকল্পনা/পরিচালনার সঙ্গে সৌদি সরকার কিংবা সরকারের কোনো কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা ছিল- তদন্তে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার টুইন টাওয়ার ও সামরিক বাহিনীর সদর দপ্তর পেন্টাগনে ভয়াবহ বিমান হামলা হয়েছিল। সেই হামলায় সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বহুতল এই ভবনদ্বয়, তাৎক্ষনিকভাবে মারা যান প্রায় ৩ হাজার মানুষ এবং আহত হন ৬ হাজারেরও বেশি।

ওই হামলা ছিল শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ একটি হামলা। শুধু আমেরিকানদের জন্যই নয়, গোটা বিশ্বই চমকে গিয়েছিল ঘটনার ভয়াবহতায়। সেদিন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনেও হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া ছিনতাই হওয়া আরও একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল পেনসিলভানিয়ায়।

প্রথম বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে নর্থ টাওয়ারে আঘাত হানে। দ্বিতীয় বিমানটি সাউথ টাওয়ারে বিধ্বস্ত হয় এর অল্প কিছুক্ষণ পরই। তৃতীয় বিমানটি পেন্টাগনের সদর দফতরের পশ্চিম অংশে আঘাত হানে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠে ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বিশাল এ সদর দফতর। এর পর সকাল ১০টা ৩ মিনিটে চতুর্থ বিমানটি আছড়ে পড়ে পেনসিলভানিয়ার এক মাঠে।

পিয়াল/আওয়াজবিডি

আসামে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির ওপর ফটোসাংবাদিকের হামলা, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, দুপুর ৪:০৭ সময়

গত বৃহস্পতিবার আসাম রাজ্যের দরং জেলার ধলপুর গ্রামে ২৫ হাজার একরের অধিক জমি থেকে নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান চালায় আসামের পুলিশ। ওই ঘটনায় পুলিশের গুলিতে মারা যায় দুইজন। আহত হয় নয় পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ৭২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের গুলিতে আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকা মইনুল হক নামে স্থানীয় একজন বাঙালি মুসলিমের ওপর বার বার একজন ফটোগ্রাফার হামলে পড়ছেন। মইনুল হকের দেহে যখন প্রাণ ছিল না, তখনও ওই ফটোসাংবাদিক লাথি মারছিলেন।

দরং পুলিশের এসপি সুসান্ত বিশ্ব শর্মা বলছেন, ওই ফটোগ্রাফারের নাম বিজয় বানিয়া। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বৃহস্পতিবার রাতেই

অন্য দিকে, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, হাইকোর্টে চলা মামলায় উচ্ছেদ নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।.

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি