টেক্সাসের গর্ভপাতবিরোধী আইন নিয়ে হুলুস্থুল

উত্তর আমেরিকা অফিস
১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, রাত ১২:৪০ সময়

মেয়েদের নিজের শরীর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার আছে। মার্কিন আইন এবং সংবিধান সেই অধিকার দেয়। টেক্সাসের গর্ভপাতবিরোধী আইনের সমালোচনা করতে গিয়ে এই ভাষায় কথা বলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

ওই আইন যাতে বাস্তবায়িত না হয়, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। দেশের আইনবিভাগ বা জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট টেক্সাসের ওই আইনটির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গার্লল্যান্ড জানিয়েছেন, টেক্সাসের আইনটি সংবিধানসম্মত নয়। কোনো রাজ্য সংবিধানের মূল ভাবনা থেকে সরে গিয়ে আইন জারি করতে পারে না। মার্কিন সংবিধান দেশের মানুষের অধিকারের বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। কিন্তু টেক্সাসের আইন নারীর অধিকারকেই চ্যালেঞ্জ করে বসেছে। সে কারণেই ওই আইনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

টেক্সাস সম্প্রতি গর্ভপাতবিরোধী আইন জারি করেছে। আইনে কার্যত নারীদের গর্ভপাতের বিষয়টি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আইনের ব্যাখ্যায় আদালত জানিয়েছে, সম্প্রতি চিকিৎসকদের একটি দল এক পরীক্ষা চালায়। তাতে দেখা যায়, ছয় সপ্তাহের মাথাতেই ভ্রূণের হার্ট সচল হয়ে যায়। যারা গর্ভপাত করাতে চান, ছয় সপ্তাহের মধ্যে তারা অধিকাংশ সময় বুঝতেও পারেন না যে তারা গর্ভবতী। সে কারণেই গর্ভপাত কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস জানিয়েছেন, এই আইন সংবিধানবিরোধী। নারীর অধিকার খর্ব করছে এই আইন। দেশের একেকটি রাজ্য একেক রকম ভাবে এধরনের আইন তৈরি করতে পারে না। সে কারণেই মামলা করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও আইনের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, আইনটি অমার্কিনি।

এর আগে বেশ কিছু এনজিও ওই আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তাতে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। তবে ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিসের মামলা সুপ্রিম কোর্ট কীভাবে দেখে, সেটাই এখন দেখার।

স্বচ্ছতার সঙ্গে সব প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হবে: সেতুমন্ত্রী

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, দুপুর ৩:১৭ সময়
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের —ফাইল ছবি

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আশুলিয়ায় ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ‘স্ট্যাটিক লোড টেস্ট’ এর জন্য পাইলট পাইল বোরিং কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০২৬ সালের জুনের ভেতর শেষ হবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ। প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে ঢাকার এই দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

তিনি বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই প্রকল্পের লোনচুক্তি সম্পন্ন হবে। আমাদের তহবিল সংক্রান্ত কোনো সমস্যা নেই।

চলাচলের সুবিধার্থে বর্তমান রাস্তাটিও রেখে দেওয়ার সুপারিশ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যে রাস্তাটি আছে, এটা যেভাবে আছে থাকুক। অনেক মানুষ বিকল্প পথ হিসেবে এটি ব্যবহার করে। এখানে মানুষের যেন ভোগান্তি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাস্তা যেন ব্যবহারের উপযোগী থাকে।

পিএলএম/আওয়াজবিডি